Skip to content
Opens in a new window
Listen to this chapter • 3:13

[1] এরপর আমি অন্য একজন শক্তিশালী স্বর্গদূতকে স্বর্গ থেকে নেমে আসতে দেখলাম। তাঁর ছিল মেঘের বসন ও তাঁর মাথায় ছিল এক মেঘধনু। তাঁর মুখমণ্ডল ছিল সূর্যের মতো ও তাঁর পা-দুটি ছিল আগুনের স্তম্ভের মতো।

[2] তাঁর হাতে ধরা ছিল ছোট্ট একটি পুঁথি, যা খোলা অবস্থায় ছিল। তিনি তাঁর ডান পা সমুদ্রের উপরে ও বাঁ পা স্থলের উপরে রাখলেন।

[3] আর তিনি সিংহনাদের মতো প্রবল হুংকার দিলেন। তিনি চিৎকার করলে পর সপ্ত বজ্রধ্বনি প্রত্যুত্তর করল।

[4] যখন সেই সপ্ত বজ্রধ্বনি সরব হল, আমি তা লিখতে উদ্যত হলাম; কিন্তু আমি স্বর্গ থেকে এক বাণী শুনতে পেলাম, তা আমাকে বলছিল, “সপ্ত বজ্রধ্বনির বাণী সিলমোহরাঙ্কিত করো, তা লিপিবদ্ধ করবে না।”

[5] তখন সমুদ্র ও স্থলের উপরে দাঁড়িয়ে থাকা যে স্বর্গদূতকে আমি দেখেছিলাম, তিনি স্বর্গের দিকে তাঁর ডান হাত তুলে ধরলেন।

[6] আর যিনি যুগে যুগে চিরকাল জীবন্ত, যিনি আকাশমণ্ডল ও তার মধ্যস্থিত সবকিছু, পৃথিবী ও তার মধ্যস্থিত সবকিছু এবং সমুদ্র ও তার মধ্যস্থিত সবকিছু সৃষ্টি করছেন, তাঁরই নামে তিনি এই শপথ করে বললেন, “আর দেরি হবে না!

[7] কিন্তু যখন সেই সপ্তম স্বর্গদূত তাঁর তূরী বাজাতে উদ্যত হবেন, ঠিক তখনই ঈশ্বরের রহস্য পরিপূর্ণতা লাভ করবে যেমন তিনি তাঁর দাসদের, সেই ভাববাদীদের কাছে ঘোষণা করেছিলেন।”

[8] তারপর যে কণ্ঠস্বর স্বর্গ থেকে আমার সঙ্গে কথা বলেছিলেন, তিনি আমার সঙ্গে আবার কথা বললেন: “তুমি যাও, যে স্বর্গদূত সমুদ্র ও ভূমির উপরে দাঁড়িয়ে আছে, তার হাত থেকে খোলা ওই পুঁথিটি গ্রহণ করো।”

[9] তাই আমি ওই স্বর্গদূতের কাছে গিয়ে, তাঁর কাছ থেকে ওই ছোট্ট পুঁথিটি চাইলাম। তিনি আমাকে বললেন, “এটি নাও ও খেয়ে ফেলো। এটি তোমার উদরকে তিক্ত করবে, কিন্তু তোমার মুখে তা মধুর মতো মিষ্টি লাগবে।”

[10] আমি ওই স্বর্গদূতের হাত থেকে ছোট্ট পুঁথিটি নিয়ে তা খেয়ে ফেললাম। তা আমার মুখে মধুর মতো মিষ্টি স্বাদযুক্ত মনে হল, কিন্তু তা খেয়ে ফেলার পর আমার উদর তিক্ত হয়ে গেল।

[11] তখন আমাকে বলা হল, “তোমাকে আবার বহু জাতি, দেশ, ভাষাভাষী ও রাজাদের সম্পর্কে ভাববাণী বলতে হবে।”

প্রকাশিত বাক্য — Chapters