[1] এই হল এষৌর (অথবা, ইদোমের) বংশপরম্পরার বৃত্তান্ত।
[2] এষৌ কনানীয় মহিলাদের মধ্যে থেকেই তাঁর স্ত্রীদের গ্রহণ করলেন: হিত্তীয় এলোনের মেয়ে আদা এবং হিব্বীয় সিবিয়োনের নাতনি তথা অনার মেয়ে অহলীবামা—
[3] এছাড়াও ইশ্মায়েলের মেয়ে ও নবায়োতের বোন বাসমৎ।
[4] এষৌর জন্য আদা ইলীফসের, বাসমৎ রূয়েলের,
[5] এবং অহলীবামা যিয়ূশ, যালম ও কোরহের জন্ম দিলেন। এরাই হল এষৌর সেই ছেলেরা, যাদের জন্ম কনানদেশে হল।
[6] এষৌ তাঁর স্ত্রীদের ও ছেলেমেয়েদের এবং তাঁর পরিবারের সব সদস্যকে, এছাড়াও তাঁর গবাদি পশুপাল ও অন্যান্য পশুপাল তথা কনানদেশে তিনি যেসব জিনিসপত্র অর্জন করলেন, সেসবকিছু নিয়ে তাঁর ভাই যাকোবের কাছ থেকে কিছুটা দূরত্ব বজায় রেখে এগিয়ে গেলেন।
[7] তাঁদের বিষয়সম্পত্তির পরিমাণ এত বেশি ছিল যে একত্রে বসবাস করা তাঁদের পক্ষে সম্ভব হচ্ছিল না; যে দেশে তাঁরা বসবাস করছিলেন, তা তাঁদের গবাদি পশুপালের জন্য তাঁদের ভারবহন করতে পারছিল না।
[8] অতএব এষৌ (অথবা, ইদোম) সেয়ীরের পার্বত্য অঞ্চলে বসতি স্থাপন করলেন।
[9] সেয়ীরের পার্বত্য অঞ্চলে বসবাসকারী ইদোমীয়দের পূর্বপুরুষ এষৌর বংশপরম্পরা এইরকম:
[10] এষৌর ছেলেদের নাম এইরকম: এষৌর স্ত্রী আদার ছেলে ইলীফস, এবং এষৌর স্ত্রী বাসমতের ছেলে রূয়েল।
[11] ইলীফসের ছেলেরা: তৈমন, ওমার, সফো, গয়িতম ও কনস।
[12] এষৌর ছেলে ইলীফসের তিম্না নামের এক উপপত্নীও ছিল, যে ইলীফসের জন্য অমালেককে জন্ম দিয়েছিল। এঁরাই হলেন এষৌর স্ত্রী আদার সব নাতিপুতি।
[13] রূয়েলের ছেলেরা: নহৎ, সেরহ, শম্ম ও মিসা। এঁরাই হলেন এষৌর স্ত্রী বাসমতের সব নাতিপুতি।
[14] এষৌর স্ত্রী তথা সিবিয়োনের নাতনি ও অনার মেয়ে অহলীবামা এষৌর জন্য যেসব ছেলের জন্ম দিলেন তাঁরা হলেন: যিয়ূশ, যালম ও কোরহ।
[15] এষৌর বংশধরদের মধ্যে এঁরাই হলেন বিভাগীয় প্রধান: এষৌর বড় ছেলে ইলীফসের ছেলেরা: দল প্রধান তৈমন, ওমার, সফো, কনস,
[16] কোরহ, গয়িতম ও অমালেক। ইদোমে এই বিভাগীয় প্রধানেরাই ইলীফসের বংশে জন্মগ্রহণ করলেন; তাঁরা আদার সব নাতিপুতি।
[17] এষৌর ছেলে রূয়েলের ছেলেরা: বিভাগীয় প্রধান নহৎ, সেরহ, শম্ম ও মিসা। ইদোমে এই বিভাগীয় প্রধানেরাই রূয়েলের বংশে জন্মগ্রহণ করলেন; তাঁরা এষৌর স্ত্রী বাসমতের সব নাতিপুতি।
[18] এষৌর স্ত্রী অহলীবামার ছেলেরা: বিভাগীয় প্রধান যিয়ূশ, যালম ও কোরহ। এই বিভাগীয় প্রধানেরাই এষৌর স্ত্রী তথা অনার মেয়ে অহলীবামার গর্ভজাত হলেন।
[19] এঁরাই হলেন এষৌর (অথবা, ইদোমের) সব ছেলে, এবং এঁরাই হলেন তাঁদের বিভাগীয় প্রধান।
[20] এঁরাই হলেন হোরীয় সেয়ীরের সেইসব ছেলে, যাঁরা সেই অঞ্চলে বসবাস করতেন: লোটন, শোবল, শিবিয়োন, অনা,
[21] দিশোন, এৎসর ও দীশন। ইদোমে সেয়ীরের এই ছেলেরা ছিলেন হোরীয় বিভাগীয় প্রধান।
[22] লোটনের ছেলেরা: হোরি ও হোমম। তিম্না ছিলেন লোটনের বোন।
[23] শোবলের ছেলেরা: অলবন, মানহৎ, এবল, শফো ও ওনম।
[24] সিবিয়োনের ছেলেরা: অয়া ও অনা। (এই অনাই মরুভূমিতে তাঁর বাবা সিবিয়োনের গাধাগুলি চরানোর সময় উষ্ণ প্রস্রবণগুলি খুঁজে পেয়েছিলেন)
[25] অনার সন্তানেরা: অনার মেয়ে দিশোন ও অহলীবামা।
[26] দিশোনের ছেলেরা: হিমদন, ইশবন, যিত্রণ ও করাণ।
[27] এৎসরের ছেলেরা: বিলহন, সাবন ও আকন।
[28] দীশনের ছেলেরা: ঊষ ও অরাণ।
[29] এঁরাই ছিলেন হোরীয় বিভাগীয় প্রধান: লোটন, শোবল, শিবিয়োন, অনা,
[30] দিশোন, এৎসর ও দীশন। সেয়ীর দেশে তাঁদের বিভাগ অনুসারে এঁরাই হলেন হোরীয় বিভাগীয় প্রধান।
[31] কোনও ইস্রায়েলী রাজা রাজত্ব করার আগে এঁরাই ইদোমে রাজা হয়ে রাজত্ব করলেন:
[32] বিয়োরের ছেলে বেলা ইদোমের রাজা হলেন। তাঁর রাজধানীর নাম দেওয়া হল দিনহাবা।
[33] বেলা যখন মারা যান, বস্রানিবাসী সেরহের ছেলে যোবব তখন রাজা রূপে তাঁর স্থলাভিষিক্ত হলেন।
[34] যোবব যখন মারা যান, তৈমন দেশ থেকে আগত হূশম রাজা রূপে তাঁর স্থলাভিষিক্ত হলেন।
[35] হূশম যখন মারা যান, বেদদের ছেলে সেই হদদ তখন রাজা রূপে তাঁর স্থলাভিষিক্ত হলেন, যিনি মোয়াব দেশে মিদিয়নীয়দের পরাজিত করলেন। তাঁর নগরের নাম দেওয়া হল অবীৎ।
[36] হদদ যখন মারা যান, মস্রেকানিবাসী সম্ল তখন রাজা রূপে তাঁর স্থলাভিষিক্ত হলেন।
[37] সম্ল যখন মারা যান, সেই নদীর নিকটবর্তী রহোবোৎ নিবাসী শৌল তখন রাজা রূপে তাঁর স্থলাভিষিক্ত হলেন।
[38] শৌল যখন মারা যান, অকবোরের ছেলে বায়াল-হানন তখন রাজা রূপে তাঁর স্থলাভিষিক্ত হলেন।
[39] অকবোরের ছেলে বায়াল-হানন যখন মারা যান, হদদ রাজা রূপে তাঁর স্থলাভিষিক্ত হলেন। তাঁর নগরের নাম দেওয়া হল পায়ূ এবং তাঁর স্ত্রীর নাম মহেটবেল, যিনি মট্রেদের মেয়ে, ও মেষাহবের নাতনি ছিলেন।
[40] নামানুসারে, এবং তাঁদের বংশ ও অঞ্চল অনুসারে এঁরাই হলেন এষৌর বংশে জন্মানো বিভাগীয় প্রধান: তিম্ন, অলবা, যিথেৎ,
[41] অহলীবামা, এলা, পীনোন,
[42] কনস, তৈমন, মিবসর,
[43] মগ্দীয়েল ও ঈরম। তাঁদের অধিকৃত দেশে তাঁরা যে বসতি স্থাপন করলেন, তা অনুসারে এঁরাই ইদোমের বিভাগীয় প্রধান। এই হল ইদোমীয়দের পূর্বপুরুষ এষৌর বংশপরম্পরা।